Trending

6/recent/ticker-posts

ইমাম মাহাদী (The Guided One) Part 2

ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের পূর্বে ও পরে এবং কেয়ামতের পূর্বে আরব উপ-দ্বীপের অবস্থা কেমন হবে?
আবু হুরায়রা রাঃ বলেন - রাসুল সাঃ বলেছেন ততদিন কেয়ামত সংগঠিত হবে না যতদিন না আরবের জমিন সবুজ শ্যামলা ও নহররাদিতে রুপান্তরিত হয়ে যায়।

মুসনাদে আহমদ ২/৩৭০ সহীহ মুসলিম হাদিস নং -১৫৭।
ততদিন পর্যন্ত কেয়ামত প্রতিষ্ঠিত হবে না যে পর্যন্ত না আরব দ্বীপ গাছপালা ও নদী নালায় পূর্ণ হবে।
হাদিছের প্রকাশ্য বর্ণনা থেকে বোঝা যায় কিয়ামতের পূর্বে আরব দেশ সমুহে পানির অভাব হবে না। তাতে প্রচুর পরিমান নদী প্রবাহিত হবে এবং বন জঙ্গলে ভরে যাবে।
মুসলিম অধ্যায় কিতাবুস যাকাত।
ছওবান রাঃ কর্তৃক বর্ণিত রাসুল সাঃ বলেছেন জনৈক খলিফার তিন পুত্রের ধন সম্পদ নিয়ে লড়াই বাঁধবে ধন সম্পদ কারো হস্তগত হবে না,
পূর্বদিক খোরাসান থেকে কালো পতাকাবাহী দল বের হবে, তাঁরা মাহদীর খেলাফত প্রতিষ্ঠা সহজ করে দেবে তোমরা বরফের উপর যদি হামাগুড়ি দিয়ে যেতে হয় তবুও যোগ দেবে। সুনানে মাজাহ।
ইমাম মাহদী (আ.)-এর সময়ে আর কোন অনুর্বর ভূমি থাকবে না প্রতিটি স্থানই সবুজ-শ্যামল হবে এবং ফসল দান করবে।
এই নজির বিহীন পরিবর্তনের কারণ হচ্ছে ইমাম মাহদী (আ.)-এর আবির্ভাবে সকল প্রকার পঙ্কিলতা দূর হয়ে যাবে এবং পবিত্রতার বৃক্ষ জন্ম নিবে ও ঈমানের ফুল ফুটবে। সব শ্রেণীর মানুষেরা ঐশী শিক্ষায় শিক্ষিত হবে এবং পারস্পারিক সকল সম্পর্ককে ঐশী মর্যাদা অনুসারে আঞ্জাম দিবে । আল্লাহ ওয়াদা করেছেন যে ,এমন পবিত্র পরিবেশকে কল্যাণ ও বরকতে পরিপূর্ণ করবেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে:
ﻭَﻟَﻮْ ﺃَﻥَّ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟْﻘُﺮَﻯٰ ﺁﻣَﻨُﻮﺍ ﻭَﺍﺗَّﻘَﻮْﺍ ﻟَﻔَﺘَﺤْﻨَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻬِﻢ ﺑَﺮَﻛَﺎﺕٍ ﻣِّﻦَ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﺀِ ﻭَﺍﻟْﺄَﺭْﺽِ ﻭَﻟَـٰﻜِﻦ ﻛَﺬَّﺑُﻮﺍ ﻓَﺄَﺧَﺬْﻧَﺎﻫُﻢ ﺑِﻤَﺎ ﻛَﺎﻧُﻮﺍ ﻳَﻜْﺴِﺒُﻮﻥَ
যদি সেই সকল জনপদের অধিবাসীবৃন্দ ঈমান আনত ও তাকওয়া অবলম্বন করত তবে আমি তাদের জন্য আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর কল্যাণ উন্মুক্ত করতাম ,কিন্তু তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল। সুতরাং তাদের কৃতকর্মের জন্য তাদেরকে শাস্তি দিয়েছি।
সম্প্রতি সৌদি সহ আরব দেশগুলি প্রাকৃতিক পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন হয়ে গেছে।
১। বরফে ঢেকে গেছে সৌদি
২। বন্যা হয়েছে প্রবল
৩। হাজার হাজার পোকা মাকড়ের মহাসমারোহ
৪। বিবিসির রিপোর্টেও পরিবর্তন নিয়ে প্রতিবেদন।